মন্ত্রী বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দেশিয় সম্পদকে অবহেলা করে আমদানির ওপর নির্ভরতা ক্রমাগত বা বাড়িয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকার। বর্তমান সরকার সে ধারা থেকে বেরিয়ে এসে দেশের নিজস্ব সম্পদকে কাজে লাগিয়ে জ্বালানি খাতকে একটি টেকসই ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে চায়।
সকালে খনিতে পৌঁছে মন্ত্রী কয়লা কর্মকর্তাদের ও কর্মচারীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেন। পরে তিনি ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।
তবে মন্ত্রীর এ সফরের মধ্যেই সামনে এসেছে দুটি খনির গভীর সংকটের চিত্র। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে উৎপাদন অব্যাহত থাকলেও একমাত্র ক্রেতা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড প্রত্যাশিত পরিমাণে কয়লা না নেওয়ায় খনির ইয়ার্ডে জমে আছে প্রায় ৬ লাখ টন কয়লা। ফলে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র জায়গা সংকট। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
একই অবস্থা মধ্যপাড়া পাথর খনিতেও। পাথর বিক্রি না হওয়ায় সেখানে প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন পাথর অবিক্রিত অবস্থায় স্তূপ হয়ে পড়ে আছে। জায়গা সংকটের কারণে এখানেও উৎপাদন বন্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
খনি সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, উৎপাদিত কয়লা ও পাথর যথাসময়ে বিক্রি ও উত্তোলন না হলে শুধু উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হবে না, বরং দেশীয় সম্পদ ব্যবহারের যে লক্ষ্যের কথা সরকার বলছে, সেটিও মুখ থুবড়ে পড়বে। মন্ত্রীর এই সফর থেকে সমস্যা সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ আসবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।





