গত (সোমবার, ১২ মে) রাত দুইটার পাহাড়তলীর সাগরিক ফ্লাইওভারের মাঝামাঝি জায়গা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ ছবি ছড়িয়ে পড়লে তাকে হত্যা করা হয়েছে এমন দাবি করে তার অনুসারীরা। তবে পুলিশের দাবি, নিহত কাউসার মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। তার নামে এখন পর্যন্ত মোট ৫টি মামলা হয়েছে থানা। এসব মামলা ছিলো চাঁদাবাজি, সহিংসতা, দখলবাজি নিয়ে।
আরও পড়ুন:
তবে সাম্প্রতিক সময়ে তার ভাই ও পরিবারের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন তিনি।
পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন রাতে কাউসার একাই পায়ে হেঁটে ফ্লাইওভারের মাঝামাঝি আসেন। পরে সেখানে থেকে ঝুলে থাকতে দেখে ৯৯৯ এ কল দিলে, পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
মরদেহ ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেও জানিয়েছে পুলিশ।




