জেলার ৭ উপজেলাতে প্রায় ১২ হাজার খামারি ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিকভাবে ১ লাখ ৭ হাজার ১৮৫ টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছে। এসব পশু জেলার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করবে খামারিরা। দেশীয় পদ্ধতিতে সবুজ ঘাস, খড়, খৈল, ছোলা ও ভুসি খাওয়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত পশু ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এসব খামারে। গো খাদ্যের দাম বাড়তি থাকলেও এবার অবৈধ পথে ভারত থেকে গরু না আসলে লাভবান হবেন খামারিরা।
খামারিদের একজন বলেন, ‘নালি দেই, খের খাওয়াই। ভুসি নিজস্ব কোম্পানির এগুলো খাওয়াই আমরা সাধারণত।’
অন্য আরেকজন বলেন, ‘আমাদের গরুগুলো সম্পূর্ণ অর্গানিকভাবে পালন করে থাকি আমরা। যাকে লিন মিট বলা হয়, তো চর্বিমুক্ত, সম্পূর্ণ চর্বিমুক্ত, মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।’
অন্য আরেক খামারি বলেন, ‘ঈদে যেন মানুষ একটু ভালো মাংস, ভালো সলিড গরু, মাংসের মধ্যে তো অনেক কিছু বের হয় এখন, সেটা আপনারা অনেক ভালো জানেন। এইগুলো যেন কোনো দিন না হয়, সেই দিক চিন্তা করেই আমরা গরুগুলো লালন-পালন করি।’
আরও পড়ুন:
চলতি বছরে গো খাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় খামারিদের খরচ বেশি হয়েছে। তারপরও ঈদকে ঘিরে অনেক ছোট ও মাঝারি খামারিরা গরু প্রস্তুত করেছেন। তাদের দাবি, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে যাতে বাহিরের গরু না আসে।
ব্যবসায়ীদের একজন একজন বলেন, ‘খামারিরা লাভবান হবে যদি অবৈধ পথে সীমান্ত কোন পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে যদি কোন গরু না আসে।’
সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজা করনে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি খামারিরা হাটে না গিয়েও বিভিন্ন ঝামেলা ছাড়াই খামার থেকে গরু বিক্রিতে অনলাইনে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলার চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশে কোরবানির পশু সরবরাহ করা হবে।
জামালপুর জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা ডা. এটিএম হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন খামারিদের কাছ থেকে আমরা যে তথ্য পেয়েছি, তাতে সাতটি উপজেলায় আমাদের প্রায় ১ লাখ ৭ হাজার গবাদি পশু রয়েছে কোরবানির জন্য। প্রায় ৮২ হাজার কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে।’
এবার জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৮২ হাজার। বাকী ২৫ হাজার পশু রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হবে। এবারের ঈদে কোরবানির পশুর ভালো দাম পাবে- এমনটাই প্রত্যাশা খামারিদের।





