পরিদর্শনকালে তিনি পশুর হাটের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানজট নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং জাল টাকা শনাক্তকরণ কার্যক্রম সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
তিনি জানান, ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর হাটগুলোতে যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে র্যাব সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। হাটের নিরাপত্তা এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিশ্চিন্তে লেনদেন নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত সংখ্যক র্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। একইসঙ্গে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
এছাড়া হাট এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি, জাল টাকার কারবার, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি পশুবাহী যানবাহনের নির্বিঘ্ন চলাচল ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে র্যাব-১৫।
আরও পড়ুন:
নিরাপদ ঈদ উদযাপনে ক্রেতা-বিক্রেতা ও সাধারণ জনগণের প্রতি সতর্কতার সঙ্গে লেনদেন করার আহ্বান জানান অধিনায়ক। তিনি যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ র্যাব সদস্য বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার পরামর্শ দেন।
এছাড়া ঈদযাত্রাকে নিরাপদ রাখতে বাসের ছাদে কিংবা ট্রাক, পিকআপসহ পণ্যবাহী যানবাহনে ভ্রমণ না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ভ্রমণের সময় অপরিচিত কারও কাছ থেকে খাবার বা পানীয় গ্রহণ করা থেকেও বিরত থাকতে হবে, যাতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়তে না হয়।’
ঈদের ছুটি শেষে মানুষ নিরাপদে কর্মস্থলে ফেরা পর্যন্ত র্যাব-১৫ এর আওতাধীন এলাকায় নিয়মিত পেট্রোল টিম ও সাদা পোশাকের সদস্যরা মাঠে সক্রিয় থাকবেন।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুরো দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় একটি নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।’





