আজ (শুক্রবার, ১২ জুন) ভোর ছয়টার দিকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এরপর থেকেই তারা এখনো ভারতীয় সীমান্তের অভ্যন্তরের শূন্যরেখায় খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন।
বিজিবির পক্ষ থেকে কয়েক দফায় পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হলেও সাড়া মিলেনি বিএসএফের। এতে গভীর রাতেও একটি পাটক্ষেতে অবস্থান করছেন তারা।
পুশইন ঠেকাতে বিজিবির নিয়মিত টহলের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকাবাসীরাও সহযোগিতা করছে। অবৈধভাবে কাউকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারাও।
বিজিবি ও স্থানীয়রা জানান, আজ শুক্রবার ভোর ছয়টার দিকে নারী পুরুষ শিশুসহ অন্তত ১২জনকে কুষ্টিয়ার সীমান্ত এলাকার দিয়ে পুশ ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বাংলাদেশি গ্রামের একটি চায়ের দোকানে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয়রা বিজিবিকে খবর দেয়।
প্রবেশের পর বিষয়টির খবর পেয়ে বিজিবি-বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানান। পরে বিজিবি ১৪৮ ৩-এস সাব পিলার সংলগ্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতের শূন্য রেখায় পাঠায়। বর্তমানে তারা সেখানেই অবস্থান করছেন। আজ সকাল থেকে দিনভর বিজিবি-বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের মধ্য দিয়ে বিষয়টির সমাধানের আহ্বান জানানো হলেও বিএসএফ শেষ পর্যন্ত পতাকা বৈঠকে সাড়া দেয়নি।
বর্তমানে একটি পাটক্ষেতে অবস্থান করছেন তারা। বর্তমানে সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এদিকে আগামীকাল পতাকা বৈঠকের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। তবে কখন হবে এ পতাকা বৈঠক তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি বিজিবি।
৪৭-কুষ্টিয়া বিজিবির ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক রাশেদ কামাল রনি জানিয়েছে, কোনোভাবেই অবৈধ পুশ ইন গ্রহণযোগ্য নয়, যাদেরকে ঠেলে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে পাঠানো হয়েছে তাদের বিএসএফকেই ফেরত নিতে হবে।





