আজ (শুক্রবার, ১৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাটুরিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সেলফি পরিবহনের একটি বাস ঘাট এলাকায় সিরিয়ালের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলো। ট্রিপের সিরিয়াল আসার পর বাসটি ঘাট এলাকা থেকে স্ট্যান্ডের দিকে নেয়ার জন্য চালু করা হয়। এসময় ব্রেকে পর্যাপ্ত হাওয়া না থাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এক পর্যায়ে বাসটির দু’টি চাকা রাস্তার বাইরে চলে যায় এবং বাসটি নদীর পাড়ের কিনারে বিপজ্জনক অবস্থায় আটকে পড়ে।
তবে বাসটিতে কোনো যাত্রী ছিলো না। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে চালক দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে আসেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিআইডব্লিউটিসির র্যাকার দিয়ে বাসটিকে উদ্ধার করে সড়কে তোলা হয়।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় দোকানদার আব্দুর রশিদ বলেন, ‘গাড়ির সিরিয়াল লাগলে সেখান থেকে স্ট্যান্ডে যাওয়ার সময় বাস চালু করা হয়। ব্রেকে হাওয়া না থাকায় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। পরে বাসটি রাস্তার শেষ প্রান্তে গিয়ে আটকে যায়। চালকও নেমে আসেন। কোনো ক্ষতি হয়নি, আর কোনো যাত্রীও ছিলো না বাসের মধ্যে।’
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা অঞ্চলের উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) আব্দুস সালাম বলেন, ‘তারা বাসটিকে বাস বা ট্রাক স্ট্যান্ডে না রেখে আমাদের ঘাট এলাকায় রাখে। বারবার নিষেধ করার পরও কথা শোনে না। আজ যদি বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটত, তাহলে মানুষ জানতো ফেরিঘাট থেকে আবারও বাস নদীতে পড়ে গেছে। আসলে তারা আমাদের ৩ নম্বর ঘাটের হাই ওয়াটার লেভেল এলাকায় অবৈধভাবে পার্কিং করে রেখেছিলো।’
মানিকগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) মো. রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমরাও বাস ও ট্রাক চালকদের নির্ধারিত স্ট্যান্ডে গাড়ি রাখার জন্য বলে থাকি। কিন্তু তারা বিভিন্ন স্থানে নিজেদের সুবিধামতো পার্কিং করে। পাটুরিয়া এলাকায় আমাদের মাত্র দুইজন সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। ফলে সব বিষয় সার্বক্ষণিক তদারকি করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ বিষয়ে আমরা কঠোর নির্দেশনা দেবো। নির্দেশনা অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





