ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ভাষ্য, হঠাৎ করেই নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় তারা বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। অনেক ক্ষেতেই বিক্রির উপযোগী সবজি মাঠ থেকেই আর সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
চরের মাঠজুড়ে কুমড়া, লাউ, করলা, চিচিঙ্গাসহ বিভিন্ন ধরনের মৌসুমি সবজির আবাদ পানিতে ডুবে রয়েছে। কৃষকদের আশঙ্কা, পানি দ্রুত না কমলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে।
এদিকে গোমতী নদীতে ভারত থেকে আসা উজানের ঢল বেড়ে যাওয়ায় বিপদ সীমা থেকে ২.৫৬ মিটার নিচে রয়েছে নদীর পানি।
আরও পড়ুন:
আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই) সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ সবজি ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভাসছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। কৃষকরা কোমর সমান পানিতে নেমে যতটা সম্ভব ফসল তুলে আনার চেষ্টা করছেন। ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে অল্প অল্প করে পানির উচ্চতা বাড়ছে বলে জানান কৃষকরা।
কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, ‘উজানের পাহাড়ি ঢলে গোমতী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের হাজারো কৃষকের ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে।’
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি নিজেও মাঠে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলছেন। ক্ষয়ক্ষতির জরিপ শেষে কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, বেলা ৩টা পর্যন্ত গোমতী নদীর পানি ২ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।





