স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘দেড় যুগ আগে অবৈধ সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়েছিল ২৭তম বিসিএস ব্যাচ (পুলিশ)। ১৮ বছরের বঞ্চনা কাটিয়ে রাষ্ট্রের রুপান্তরে এ পুলিশ ব্যাচ চেইন অব কমান্ড বজায় রেখে বৈষম্যহীন সমাজ গঠন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে।’
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী হাসিনা সরকার আমলে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ন্যায় পুলিশবাহিনীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অপরাধের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে ও চলমান থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল অপরাধ দমন ও সাইবার নিরাপত্তার জন্য কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু ও সেবক হতে হবে পুলিশ কর্মকর্তাদের।’
এসময় তিনি শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অপরাধের সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া ও ডিজিটাল অপরাধ দমন ও সাইবার নিরাপত্তার জন্য কারিগরি দক্ষতা অর্জন করে সাধারণ মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু ও সেবক হতে পুলিশ কর্মকর্তাদের পরামর্শও দেন তিনি
অনুষ্ঠান শেষে প্রশিক্ষণে কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জনকারী কর্মকর্তাদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ২৭তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচে ৫৩জন পুরুষ ও ৪ জন নারী ও ২৮তম বিসিএসের একজন পুরুষসহ মোট ৫৮ জন শিক্ষানবিশ সহকারী পুলিশ সুপার এ কুচকাওয়াজে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে অতিথি উপস্থিত ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী ৩ ও আসনের সংসদ সদস্যদ্বয় ও বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) হলেন— মো. আলী হোসেন, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল অতিরিক্ত আইজিপি জি এম আজিজুর রহমানসহ অনেকে।





