এর আগে গতকাল (সোমবার, ২৬ অক্টোবর) বিকেলে কামারহাট বাজারসংলগ্ন কামাল খানের বাড়ির আঙিনায় জালের সঙ্গে আটকে থাকতে দেখে বন বিভাগকে খবর দেন কামাল খান।
খবর পেয়ে বন বিভাগের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে রাতে সাপটি উদ্ধার করে বিট কার্যালয়ে নিয়ে যায়।
কামাল খান বলেন, ‘জালের সঙ্গে সাপটিকে আটকে থাকতে দেখে আমরা আতঙ্কিত না হয়ে বন বিভাগকে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে এসে সাপটি উদ্ধার করে জীবিত অবস্থায় নিয়ে যায়।’
আরও পড়ুন:
হরিণঘাটা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নারায়ণ চন্দ্র দাস বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে সাপটিকে না মারতে অনুরোধ করে তাদের নিরাপদে থাকতে বলে দ্রুত আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করি। তবে রাত হয়ে যাওয়ায় ওই সময় সাপটিকে বনে অবমুক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে আজ সকালে হরিণঘাটার গভীর বনে সাপটিকে অবমুক্ত করা হয়।’
তিনি বলেন, ‘দাঁড়াশ সম্পূর্ণ নির্বিষ একটি সাপ। একটি দাঁড়াশ সাপ বছরে কৃষকের অন্তত ১০ হাজার টাকার ফসল ইঁদুরের কবল থেকে রক্ষা করে। তাই আমরা এই সাপকে কৃষকের বন্ধু হিসেবে আখ্যা দিয়েছি। তবে প্রাণঘাতী মারাত্মক বিষধর কালাচ সাপের একটি প্রজাতিও হুবহু দাঁড়াশের মতো দেখতে। তাই কোথাও এই ধরনের সাপ দেখলে, সাপ মারতে গিয়ে অথবা ধরতে গিয়ে অনেকেই কালাচের কামড়ে প্রাণ হারায়। তাই সাপ দেখলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মানুষ ছাড়া কেউ সাপ ধরতে যাবেন না।’





