স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণ মানুষ যাতে সহজে ও সময়মতো স্বাস্থ্যসেবা পেতে পারেন, সে লক্ষ্যে সরকার উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। রোগীদের হাসপাতালে যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে অ্যাম্বুলেন্স পুল গঠনের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। আগামী অর্থবছরের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হবে।’
উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার বিকাশ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৯ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালগুলোকে ৩১ ও ৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপজেলা পর্যায়ে ১৫১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছেন।’
তিনি বলেন, হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি সহজ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
নারী ও শিশু স্বাস্থ্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত ১৫১ শয্যার হাসপাতালগুলোতে ১০টি ডায়ালাইসিস বেড, প্রসূতি নারীর জন্য ২০ শয্যার একটি ওয়ার্ড এবং শিশুদের জন্য ২০টি বেড রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নারী ও পুরুষদের জন্য ফিজিওথেরাপি সেবা এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টারও থাকবে।
মুরাদনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মন্ত্রী সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, হাসপাতালের পরিবেশ আগের তুলনায় ভালো মনে হয়েছে। তবে কিছু অনিয়ম ও ত্রুটি রয়েছে, যেগুলো সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।—বাসস





