সড়কে উপড়ে পড়েছে গাছপালা। রাস্তাঘাট বাসা বাড়ির সামনে ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষতচিহ্ন। প্রবল শক্তি নিয়ে বুধবার ভোরে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ ও পদুচেরির ইয়ানাম উপকূলে আছড়ে পড়ে অর্ণব। প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে চলে প্রবল বৃষ্টি।
অন্ধ্রপ্রদেশ ছাড়াও ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও দেখা দিয়েছে অর্ণবের প্রভাব। উত্তাল দিঘা সমুদ্রসৈকতও।
ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত শত শত বাড়িঘর। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতি পুষিয়ে উঠার দুশ্চিন্তায় উপকূলবাসী। ঝড়ে কোনা প্রাণহানি না ঘটলেও অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওড়িশা রাজ্যের আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি মানুষকে। বন্ধ রাখা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বাতিল করা হয়েছে ট্রেন ও বিমান পরিষেবা।
আরও পড়ুন:
ভুক্তভোগীদের একজন বলেন, ‘আমি এমন তীব্র ঘূর্ণিঝড় আগে কখনো দেখিনি। আমার শৈশবে, সাত বছর বয়সে একবার ঘূর্ণিঝড় এসেছিল, এখন ৩০ বছর পর, তা আবার ঘটলো। কেউই ঘুমাতে পারেনি। মা ও শিশুরা সারারাত ছোটাছুটি করছিল।’
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সরকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে, আমাদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করেছে। আমরা উদ্বিগ্ন, কারণ আমাদের আরও কিছুদিন কোন আয় রোজগার হবেনা। সরকার আমাদের আর্থিক সহায়তা দিলে আমাদের জন্য উপকার হবে।
ভারতের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, উপকূলে আঘাত হানার পর বর্তমানে দুর্বল হয়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে ছাড়িয়ে আগামী ছয় ঘণ্টার মধ্যে ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে গভীর নিন্মচাপে পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব।





