ছাঁটাইয়ের তালিকায় রয়েছেন ৬২ জন থোক বরাদ্দের এবং প্রায় ২০০ জন দৈনিক মজুরির কর্মচারী। তাদের অনেকেই ১০ থেকে ২০ বছর ধরে কর্মরত। একাংশ নিয়োগ পেয়েছিলেন পোষ্য কোটায়।
এদিকে চাকরি স্থায়ীকরণ, জ্যেষ্ঠতা ও সুযোগ-সুবিধার দাবিতে কর্মচারীদের একাংশ হাইকোর্টে রিট করেছেন। চলতি বছরের গেল ৫ জানুয়ারি শুনানি শেষে আদালত বিবাদীদের প্রতি রুল জারি করে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দেন। রিটটি এখনো চলমান।
ভুক্তভোগী কর্মচারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন চাকরি করার পরও ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত তাদের অনিশ্চয়তায় ফেলেছে। অন্যদিকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান জানিয়েছে, অর্থ বরাদ্দ না থাকায় বেতন-ভাতা বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে প্রয়োজনীয় জনবলের চাহিদাপত্র ইউজিসিতে পাঠানো হবে এবং কর্মরতদের বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে। পাশাপাশি তিন মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এরআগে নিয়োগের বৈধতা,প্রয়োজনীয়তা ও আর্থিক প্রভাব যাচাইয়ে চলতি বছরের ২০ জুন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সিন্ডিকেট। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন চাকরি হারানোর শঙ্কায় থাকা কর্মচারীরা।





