১৯৬০ সালে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে সৃষ্টি হওয়া কাপ্তাই হ্রদ এখন দেশের মিঠা পানির অন্যতম মৎস্য ভাণ্ডার। ৭২৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ হ্রদে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন প্রায় ২৭ হাজার জেলে।
হ্রদে বছরে প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়, যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা। তবে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি হওয়া মাছের অর্ধেক থেকেই সরকার পায় রাজস্ব। ২০২০ থেকে ২০২৫—এ পাঁচ অর্থবছরে ৩৫ হাজার ৩৪৫ মেট্রিক টন মাছ থেকে শুল্ক আদায় হয়েছে প্রায় ৬৯ কোটি টাকা।
আরও পড়ুন:
হ্রদে রুই, কাতলা, মৃগেল, আইড়, বোয়ালসহ ৩০ থেকে ৩৫ প্রজাতির মাছ ধরা পড়লেও এর ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশই চাপিলা আর কাচকি। মিঠা পানির হওয়ায় এবং স্বাদে ভালো হওয়ায় ভোক্তাদের কাছে এ দুই মাছের চাহিদা বেশি।
মিঠাপানির মাছ হওয়ায় দেশের বিভিন্ন বাজারে মাছের চাহিদা বেশি বলছেন স্থানীয়রা মাছ ব্যবসায়ীরা।
চলতি মৌসুমে ২ সেপ্টেম্বর থেকে সাত মাসে ৮ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন মাছ থেকে শুল্ক আদায় হয়েছে ১৯ কোটি টাকার বেশি।
রাঙামাটি বিএফডিসি ব্যবস্থাপক কমান্ডার মো. ফয়েজ আল করিম বলেন, ‘ছোট মাছগুলো সাড়ে ২১ টাকা থেকে শুরু হয়ে ৪০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই দাম আগামী তিন বছর পর্যন্ত থাকবে।’
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশ-বিদেশে চাপিলা ও কাচকির বাজার সম্প্রসারণ করা গেলে রাজস্ব আয় আরও বাড়বে। পাশাপাশি দেশের আমিষের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সম্ভাবনাও তৈরি হবে।





