নিহতরা হলেন সুমি আক্তার ও তার দুই বছর বয়সী মেয়ে ওয়াজিহা আক্তার। ঘটনার পর সুমির স্বামী সিএনজিচালক মোহাম্মদ মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।
স্বজনদের দাবি, তিন বছর আগে পারিবারিকভাবে সুমির সঙ্গে মিজানের বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকতো। কিছুদিন আগে স্বর্ণ বন্ধক রাখা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার বিকেলে মিজান ফোন করে পরিবারের সদস্যদের জানান, তার স্ত্রী ও সন্তান আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা ওড়নায় ঝুলন্ত অবস্থায় মা-মেয়ের মরদেহ দেখতে পান।
তাদের দাবি, ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং ঘটনার পর মিজান ও তার মা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামীকে থানায় আনা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।





