বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিহত সাব্বির দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ওয়াইফাই লাইনের ব্যবসা পরিচালনা করতেন। অন্যদিকে, গ্রেপ্তারকৃত সেলিমের নেতৃত্বে একটি চক্র ফতুল্লা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। সাব্বির বিভিন্ন সময় তাদের এ কর্মকাণ্ডে বাধা দিলে আসামিরা তার প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এবং তাকে একাধিকবার হুমকি দেয়।
গত ৪ মার্চ ভোরে সাব্বির সেহরির খাবার আনতে বাসা থেকে বের হয়ে শিবু মার্কেট পৌঁছালে সেলিমের নেতৃত্বে সাত থেকে আটজন সন্ত্রাসী ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর আহত করে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত নারায়ণগঞ্জের খানপুরে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে তাকে শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ মার্চ রাতে সে মারা যান।
ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের গ্রেপ্তারে র্যাব-১১ গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে। এর ধারাবাহিকতায় আজ সন্ধ্যায় ফতুল্লার সাইনবোর্ড এলাকা থেকে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৬ মার্চ মামলার প্রধান আসামি সোহাগকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। গ্রেপ্তারকৃত সেলিমকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।





