আজ (বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল) দিবাগত গভীর রাতে বেনাপোল কার্গো-ভেহিকেল টার্মিনালের পিছন থেকে এ বিস্ফোরকের চালান জব্দ করা হয়।
ঘটনার পর থেকে সন্দেহভাজনরা পলাতক রয়েছেন। এ অভিযানে ভারতীয় মসলা, ১ হাজার ৪০০ গ্রাম বিস্ফোরক পাউডার ও ১ হাজার ৪০০ গ্রাম পটাশ বিস্ফোরক পাউডার উদ্ধার করা হয়েছে।
যশোর ব্যাটালিয়ন ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, সন্ত্রাসী কার্যকালপের উদ্দেশে বড় আঁচড়া গ্রামের বেনাপোল কার্গো-ভেহিকেল টার্মিনালের পিছনে বিস্ফোরক দ্রব্য মজুত করা হচ্ছে বলে তারা গোপন সংবাদ পান। পরে বিজিবি অভিযান চালিয়ে বড় আঁচড়া গ্রামের ছোবহানের বাড়ির পাশে ফুলবাগান থেকে ২ কেজি ৮০০ গ্রাম বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন:
এসময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘বিস্ফোরক পাউডারগুলো রাতেই থানায় জমা দেয়া হয়েছে এবং একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছোবহান বেনাপোল পৌরসভার বড় আঁচড়া গ্রামের ওম্বর বিশ্বাসের ছেলে।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, বন্দরের গা ঘেঁষে বসত বাড়ি বা নানান স্থাপনা থাকায় অপরাধীদের আড্ডা ও সন্ত্রাসী কার্যলাপের সুযোগ তৈরি হলেও বন্দরের নজর নেই। এসব স্থাপনার কিছু কিছু অধিগ্রহণ চললে তা শেষ হতে বছরের পর বছর সময় লেগে যায়।
বেনাপোল বন্দর পরিচালক শামিম হোসেন জানান, বন্দর সম্প্রসারণে আশপাশের স্থাপনা অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে। বন্দরের আশপাশে অবৈধ বিস্ফোরক দ্রব্য সংরক্ষণ প্রতিরোধ বা যেকোনো ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রম বন্ধে বন্দর কর্তৃপক্ষ সতর্ক রয়েছে। তবে নিরাপত্তা বাড়াতে পুলিশের সহযোগিতা আবারও চাওয়া হবে।
বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, টার্মিনালের পিছনে ছোবহানের বাড়ির পাশে ফুলবাগান থেকে এসব বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করেছে পুলিশ। বিস্ফোরক মজুতের সঙ্গে কারা সম্পৃক্ত বা কী উদ্দেশ্যে আনা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখবে পুলিশ।





