উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে আছে দু’টি বিদেশি পিস্তল, দু’টি শটগান ও একটি একনলা বন্দুক। এছাড়া ৫০ রাউন্ড গুলি ও চারটি চাপাতিসহ অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামও পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের তিনজন অস্ত্র ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত। দীর্ঘসময় ধরে তারা চট্টগ্রাম নগরী ও আশেপাশের জেলায় নানারকম অপরাধ ও অস্ত্র সরবরাহ করতো।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, বায়েজিদ লিংক রোড থেকে নুরুদ্দিন নামে এক সন্ত্রাসীকে একটি বিদেশি পিস্তলসহ ধরা হয়। তার দেয়া তথ্য অনুসারে দীপক ও তাপস নামে অপর দুই আসামিকে ধরার পর বাসা তল্লাশি করে আরও একটি বিদেশি পিস্তল ও ৩০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন:
এছাড়া পৃথক আরেকটি অভিযানে আসামি হাসানকে গ্রেপ্তার ও তার হাটহাজারি বাসা থেকে তিনটি অস্ত্র ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। হাসানের বিরুদ্ধে বায়েজিদ থানায় মোট পাঁচটি মামলা আছে।
সিএমপির উপ পুলিশ কমিশনার আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আমরা লক্ষ্য করলাম তিনজনই পরস্পর যোগসাজশে এই শহরসহ সিএমপি এলাকা এবং পুরা গ্রেটার চিটাগংসহ পুরা এন্টায়ার ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্র সরবরাহ করে। অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে তারা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছে। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় অর্জন।’
তিনি বলেন, ‘একইসঙ্গে আমাদের থানা টিম আমাদের বায়েজিদ থানা টিম অফিসার ইনচার্জ আব্দুল করিমের নেতৃত্বে অনেক সুন্দর একটা সফল অভিযান সম্পন্ন করেছে এবং আমাদের এই ধরনের অভিযানগুলো এই ধরনের আমাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অস্ত্র, সন্ত্রাসবাদ, কিশোর গ্যাং, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’





