ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘জনগণকে আতঙ্কিত করতে রাজধানীতে বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণ করা হচ্ছে। এগুলো পরিকল্পিতভাবে ঘটানো। এসব ঘটনায় পেট্রোল পাম্পগুলো নজরদারিতে রাখা হবে।’
আকতার হোসেন বলেন, ‘ককটেল বিস্ফোরণ ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগের প্রতিটি ঘটনা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে পুলিশ। এসব ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন ও তাদের অঙ্গ সংগঠনের সদস্যও রয়েছেন।’
ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনায় একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নাশকতা চালানো ও আতঙ্ক ছড়ানোর বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান ও নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।’
জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক কমাতে রাজধানীতে পুলিশের মোবাইল টিম ও পিকেট ডিউটি বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় কড়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ককটেল তৈরির উপাদান কোথা থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে, জানতে চাইলে আকতার হোসেন বলেন, ‘এর আগেও ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও বিস্ফোরক দ্রব্যসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি। নাশকতার কাজে ব্যবহারের জন্য পেট্রোল পাম্প বা অন্য কোনো উৎস থেকে দাহ্য পদার্থ কেনাবেচা হচ্ছে কি না, সেটিও নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে কারা এসব পদার্থ সংগ্রহ করছে, তা শনাক্তে ডিএমপির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’





