তবে এ সময় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঈদের দীর্ঘ ছুটিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের আলোচনার ভিত্তিতেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’
আজ থেকেই দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে। এরপর ৩১ মে পর্যন্ত কোনো পণ্যবাহী ট্রাক বন্দর দিয়ে প্রবেশ বা বের হতে পারবে না। আগামী ১ জুন সকাল থেকে আবারও স্বাভাবিক নিয়মে শুরু হবে আমদানি-রপ্তানি ও পণ্য খালাস কার্যক্রম।
তিনি বলেন, ‘ঈদের সময় কাস্টমস, বন্দর ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছুটিতে থাকেন। একই সঙ্গে অধিকাংশ আমদানিকারক নিজ নিজ এলাকায় চলে যাওয়ায় এ সময় পণ্য ছাড় গ্রহণের তেমন চাপ থাকে না। সে কারণেই প্রতিবছরের মতো এবারও সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখা হচ্ছে। তবে কাস্টমস হাউস ঈদের দিন ছাড়া সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে।’
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সরকার ঘোষিত ঈদের ছুটির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে পণ্য পরিবহন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সময় বন্দরের অভ্যন্তরে পণ্য ওঠানামা ও খালাস কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন বলেন, ‘ঈদের ছুটির সময় বন্দর এলাকায় যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা, চুরি বা নাশকতা না ঘটে সে জন্য নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।’
বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মী ও আনসার সদস্যরা সার্বক্ষণিক টহল দেবেন। পাশাপাশি বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশও নজরদারিতে থাকবে। কোনো আমদানিকারক বিশেষ প্রয়োজনে পণ্য খালাস নিতে চাইলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি আশরাফ হোসেন বলেন, ‘ঈদের ছুটিকে সামনে রেখে বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত নজরদারি চালানো হবে। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন, যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।’
অন্যদিকে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সৈয়দ মোর্তজা আলী জানান, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের চলাচল বন্ধ হবে না। ঈদের সময় যাত্রীচাপ বাড়তে পারে বিবেচনায় ইমিগ্রেশনে অতিরিক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। যাত্রীদের দ্রুত ও নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।





