স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চার শিশুর শরীরে ল্যাব পরীক্ষায় হাম শনাক্ত হয়েছে। বাকি শিশুরা হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। তাদের অধিকাংশই হৃদরোগ, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট ও জন্ডিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিল।
জানা গেছে, বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে প্রায় ৩২১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১০৮। বিভাগের অন্যান্য জেলার মধ্যে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ৫৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৪৯ জন ল্যাব-নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো ল্যাব-নিশ্চিত রোগী শনাক্ত হয়নি। তবে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৭৮ জন।





