শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবিট চার দফাগুলো হলো—
১. আঞ্চলিক শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের নীতি বজায় রাখা।
২. জাতীয় সার্বভৌমত্বকে সম্মান করা।
৩. উন্নয়ন ও নিরাপত্তার মধ্যে সমন্বয়ের নীতি মেনে চলা।
৪. আন্তর্জাতিক নিয়মভিত্তিক ব্যবস্থাকে রক্ষা করা।
শি জিনপিং বলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইনের কর্তৃত্ব রক্ষা করতে হবে। এটা এমন হতে পারে না যে, সুবিধা হলে ব্যবহার করবো, না হলে ফেলে দেবো। আর আমরা বিশ্বে জঙ্গল আইনে ফিরিয়ে আনতে পারি না।’
এ মন্তব্যগুলোকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রতি পরোক্ষ কিন্তু তীব্র ভর্ৎসনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। চীন বারবার ওই যৌথ সামরিক অভিযানের সমালোচনা করলেও শি জিনপিং যুদ্ধ নিয়ে প্রকাশ্যে খুব কমই মন্তব্য করেছেন।
আগামী মাসে বেইজিংয়ে বহুল প্রতীক্ষিত এক বৈঠকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। বেইজিংয়ে শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সফরের সময় চলমান যুদ্ধ নিয়ে সর্বশেষ মন্তব্য করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।
আবু ধাবির ক্রাউন প্রিন্সের এ সফর এমন সময় হলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকদের সরাসরি বৈঠকে যুদ্ধ শেষ করার কোনো চুক্তি হয়নি।
গত মার্চের শুরু থেকে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে—যে প্রণালি দিয়ে তারা শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর জাহাজ চলাচলকে সীমিত করেছে। গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ শুরু করে, তেহরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ চালানোর অভিযোগ তুলে।
সংঘাত শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় দেশগুলো, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানি কমে গেছে। ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জ্বালানি অবকাঠামোতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্থাপনাও রয়েছে।





