আবারও মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির সাজা কমালো জান্তা সরকার

মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি
বিদেশে এখন
1

ক্রমাগত আন্তর্জাতিক চাপের মুখে আবারও মিয়ানমারের নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সুচির সাজা কমালো দেশটির জান্তা সরকার। সাধারণ ক্ষমার অংশ হিসেবে তার সাজা আরও এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করে তার আইনজীবী। এখন সুচির প্রায় ১৮ বছর মেয়াদের সাজা বাকি থাকলো। দুই সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো জান্তা সরকার গৃহবন্দী এ নেত্রীর সাজা কমালো।

ক্রমাগত আন্তর্জাতিক চাপের মুখে আবারও মিয়ানমারের নোবেলজয়ী নেত্রী অং সান সুচির সাজা কমালো দেশটির জান্তা সরকার। সাধারণ ক্ষমার অংশ হিসেবে তার সাজা আরও এক-ষষ্ঠাংশ কমানো হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার তার আইনি দল নিশ্চিত করে। এখন সুচির প্রায় ১৮ বছর মেয়াদের সাজা বাকি থাকলো। দুই সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো জান্তা সরকার গৃহবন্দী এই নেত্রীর সাজা কমালো।

২০২১ সালের এক সামরিক অভ্যুত্থানে মিয়ানমারের তৎকালীন ডি ফ্যাক্টো নেতা সুচিকে ক্ষমতা থেকে অপসারণ করে দেশটির সামরিক বাহিনী। এরপর দুর্নীতি, নির্বাচনে জালিয়াতি, রাষ্ট্রের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের মতো কয়েকটি অভিযোগে সুচিকে ৩৩ বছরের কারাদণ্ড দেয় দেশটির জান্তা সরকার। পরবর্তীতে সেই সাজা কমিয়ে ২৭ বছর করা হয় ।

আরও পড়ুন:

এরপর চলতি বছরের ১৭ই এপ্রিল মিয়ানমারের নববর্ষের সাধারণ ক্ষমার আওতায় দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকে মুক্তি দেওয়া হয়। পাশাপাশি ষষ্ঠবারের মতো সুচির সাজা কমানো হয় প্রায় ৪ বছর।

সুচির মিত্রদের মতে, গণতন্ত্রপন্থি এই নেত্রীর বিরুদ্ধে নেয়া এ পদক্ষেপগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাকে কোণঠাসা করার জন্য নেওয়া হয়েছে। জান্তা কর্তৃপক্ষ তাকে বর্তমানে একটি অজ্ঞাত স্থানে আটক রেখেছে। তার আইনজীবী দল বা পরিবারের সুচির সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের সুযোগ নেই।

একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চিকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিলেন মিয়ানমারের বর্তমান রাষ্ট্রপতি মিন অং হ্লাইং। সাম্প্রতিক বিতর্কিত নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দেওয়ার জন্য ক্রমাগত আন্তর্জাতিক চাপের সম্মুখীন হচ্ছেন। যার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জোট আসিয়ানসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক মহল রয়েছে।

এফএস