সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেয়া এক দীর্ঘ পোস্টে দূতাবাস জানায়, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে আনা এসব ভিত্তিহীন অভিযোগের সপক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ নেই। জনমতকে বিভ্রান্ত করতে এবং সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার প্রকৃত কারণগুলো থেকে দৃষ্টি সরাতেই নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য এমন প্রচার চালানো হচ্ছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরান গত কয়েক দশক ধরে নিজেই ‘সন্ত্রাসবাদের প্রধান শিকার’। তেহরান তার অগণিত নিরীহ নাগরিক, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং বিজ্ঞানীদের হারিয়েছে। এ কারণে ইরান বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ ও চরমপন্থার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রথম সারিতে রয়েছে।
লন্ডনের ইরানি দূতাবাস আরও উল্লেখ করেছে যে তারা ইতিপূর্বে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষকে কিছু সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড এবং যুক্তরাজ্যের মাটিতে ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা সাজানো কোনো অভিযানের মাধ্যমে ইরানকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছিল। ইরান মনে করছে, সাম্প্রতিক এই বিতর্কিত সংবাদগুলো সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ।





