ইরান যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় এই রপ্তানির পরিমাণ খুবই সামান্য হলেও এটি প্রমাণ করে যে তেল বিক্রির জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত আমিরাত। উপসাগরীয় অন্যান্য দেশ যেমন ইরাক, কুয়েত ও কাতার বর্তমানে তেল বিক্রি বন্ধ রেখেছে অথবা ক্রেতা সংকটে দাম কমিয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরব কেবল লোহিত সাগর দিয়ে তেল রপ্তানি করছে।
শিপ ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, গত এপ্রিলে আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (অ্যাডনক) উপসাগরের ভেতর থেকে অন্তত ৬০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করতে সক্ষম হয়েছে।
এসব তেল মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার শোধনাগারগুলোতে পাঠানো হয়েছে। ইরানের হামলা থেকে বাঁচতে এই জাহাজগুলো তাদের ট্র্যাকার বন্ধ রেখে চলাচল করছে। অ্যাডনক এই পাচারের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের জেরে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে এবং দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অ্যাডনকের তেল রপ্তানি দৈনিক ১০ লাখ ব্যারেলের বেশি কমে গেছে। এর আগে প্রতিষ্ঠানটি দৈনিক গড়ে ৩১ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানি করতো।





