গত বুধবার নেতানিয়াহুর দপ্তর জানায়, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন তিনি ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতে গোপন সফর’ করেছেন এবং সেখানে দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এর আগে ইসরাইলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি জানিয়েছিলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময় ইসরাইল আমিরাতে তাদের ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় জনবল পাঠিয়েছিল।
নেতানিয়াহুর দপ্তর হাকাবির মন্তব্য সরাসরি নিশ্চিত না করলেও বলেছে, এই সফর ইসরাইল ও আমিরাতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’। তবে আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই সফরের খবর নাকচ করে দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর কথিত সফর বা দেশে কোনো ইসরাইলি সামরিক প্রতিনিধি দলকে গ্রহণ করার খবরগুলো ভিত্তিহীন।
আমিরাত আরও জানায়, ইসরাইলের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক প্রকাশ্য এবং তা কোনো অস্বচ্ছ বা অনানুষ্ঠানিক ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠেনি। দেশটির কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত অপ্রকাশিত সফর বা গোপন বন্দোবস্তের সব দাবি ভিত্তিহীন।
গত ফেব্রুয়ারির শেষে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আমিরাত বেশ কয়েকবার হামলার শিকার হয়েছে। গত মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও আমিরাত জানিয়েছে, তারা এখনো ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মোকাবিলা করছে। ২০২০ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’ চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন করে আমিরাত।





