নিহতদের মধ্যে পুরুষ ৩০ জন আর নারীর সংখ্যা ২৫। তবে প্রাণহানির সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দিচ্ছে। বর্তমানে ঐ এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করছে টিএনএলএ নামের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। খনিতে পাথর উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত বিস্ফোরক থেকে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানায় জান্তা সরকার বিরোধী গোষ্ঠীটি। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
আরও পড়ুন:
ধসে গেছে চারপাশের বেশকিছু ভবন। কয়েকশো ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পুরো এলাকাটি এখন জনশূন্য। বিদ্রোহ পরিচালনার জন্য মিয়ানমারের অনেক সশস্ত্র গোষ্ঠী মূল্যবান খনিজ সম্পদ উত্তোলনের ওপর নির্ভর করে। নিরাপত্তার অভাব ও শিথিল ব্যবস্থার কারণে খনিগুলোতে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।





