এরইমধ্যে ভয়াবহ এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে হোটেল মালিক লাভকেশ বাজাজকে। আর এ ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার আগুন লেগেছে বিহারে একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিউতে। এতে প্রাণহানি হয়েছে কমপক্ষে ৪ জনের। আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গেলো বুধবার ভারতের নয়াদিল্লির একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ২১ জনের ১৮ জনই বিদেশি নাগরিক। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছে আরও ২৬ জন। আহতদের মধ্যে ৮ জন বাংলাদেশি বলে নিশ্চিত করেছে দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন। এদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এরইমধ্যে আহতদের দেখতে হাসপাতালে গেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত। এদিকে, বুধবার রাতেই হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আজ তাকে দিল্লির একটি আদালতে তোলা হবে বলে। এরইমধ্যে তদন্তে দেখা গেছে, অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকার পাশাপাশি অবৈধভাবে ২৬টি রুম তৈরি করেছে হোটেল মালিক।
আরও পড়ুন:
এদিকে, দিল্লির অগ্নিকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই এবার আগুন লেগেছে বিহারে। বৃহস্পতিবার ভোরে রাজ্যের মুজফ্ফরপুরে একটি হাসপাতালের আইসিইউয়ে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। আগুন দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে হাসপাতালে। দুর্ঘটনায় হতাহত হয়েছে অনেকেই। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, শর্ট সার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
এদিকে, আগুন লাগার পরে হাসপাতাল কর্মী এবং চিকিৎসক কাউকে খুঁজে পাননি বলে অভিযোগ করেন রোগীর স্বজনরা। উল্টো আগুন লাগতেই রোগীদের ফেলে রেখে নিজেদের বাঁচাতে হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়ে যান তারা। একই অভিযোগ ঘটনাস্থলে থাকা উদ্ধার কর্মীদের।
এরইমধ্যে ভারতে পরপর আগুন লাগার ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে দেশটির অগ্নি নিরাপত্তা বিধি নিয়ে। টনক নড়েছে কর্তৃপক্ষের। এ পরিস্থিতিতে দিল্লির পৌর করপোরেশন অবৈধ ভবনগুলো সিলগালা শুরু করেছে।





