মার্কিন প্রেসিডেন্ট যোগ করেন, ইরানের বর্তমান নেতারা ‘উগ্রপন্থি নন’ এবং তারা ‘নিজেদের দেশকে সাহায্য করতে’ চান। দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, সম্পর্কের নিশ্চয়তা পেতে ইরানি নেতাদের আগে ‘নিজেদের প্রমাণ’ করতে হবে।
চুক্তি প্রসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রধান শর্তই হলো তারা ‘পরমাণু অস্ত্র রাখতে পারবে না’। তিনি এই চুক্তিকে পরমাণু অস্ত্র অর্জনের পথে একটি ‘দেয়াল’ হিসেবে অভিহিত করেন। তবে তেহরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ইরান যদি কখনো পরমাণু অস্ত্র তৈরির ইচ্ছা পোষণ করে, তবে তাদের ওপর ‘নরক নেমে আসবে’।





