মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, ওয়াশিংটন এই দলিল আরও দ্রুত প্রকাশের জন্য চাপ দিচ্ছে। তবে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা কাতার ও পাকিস্তানের আলোচকরা ‘অল্প সময়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ না করার অনুরোধ’ জানিয়েছে। ভ্যান্সের ভাষায়, ‘আমরা এটি আজই প্রকাশের জন্য চাপ দিচ্ছি, কারণ আমরা চাই মার্কিন জনগণ যেন জানতে পারে এই চুক্তিতে কী আছে।’
তিনি এই সমঝোতাকে ‘মার্কিন জনগণের জন্য একটি ভালো চুক্তি’ হিসেবে অভিহিত করেন। গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়া খসড়া নিয়ে প্রতিবেদনগুলোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুক্তির বিষয়ে কিছু ‘বিকৃত তথ্য’ ছড়ানো হচ্ছে। ভ্যান্স স্পষ্ট করে জানান, এই চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি ‘অবিলম্বে’ উন্মুক্ত হয়ে যাবে এবং এটি একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করবে।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘ইরান যদি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোতে অর্থায়ন বন্ধ এবং পরমাণু অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা থেকে সরে আসার বিষয়ে আমাদের চাহিদা পূরণ করে, তবেই তারা কিছু সুবিধা পাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ পাবে।’ এই সুবিধা বলতে তিনি ইরানের অর্থনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা বুঝিয়েছেন। ভ্যান্স দাবি করেন, ‘আমরা তাদের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করে দিয়েছি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন তাদের এমন প্রণোদনা দিতে চাইছেন যাতে তারা দীর্ঘ মেয়াদে আর সেই কর্মসূচি পুনর্গঠন করার চেষ্টা না করে।’





