মার্কিন-ইরান চুক্তির পর চাপে ইসরাইল; লেবাননে সেনা রাখা নিয়ে চলছে দর-কষাকষি

ইসরাইল-লেবানন সীমান্তে ইসরাইলি সামরিক গাড়ির
বিদেশে এখন
0

দক্ষিণ লেবাননে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ইসরাইল। প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাসহ দুই ইসরাইলি কর্মকর্তা আজ (বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন) রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তিতে ‘লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব’ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এর এক দিন পরই স্পর্শকাতর এই আলোচনা নিয়ে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের মন্তব্য সামনে এলো।

গত ২ মার্চ মিত্র ইরানের সমর্থনে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরাইলে হামলা শুরু করলে ইসরাইল দক্ষিণ লেবাননে অভিযান সম্প্রসারিত করে। ইসরাইলের দাবি, হিজবুল্লাহকে নির্মূল করতে তারা সেখানে ধ্বংসাত্মক বিমান ও স্থল অভিযান চালাচ্ছে। ইসরাইল লেবানন, গাজা ও সিরিয়ার দখল করা এলাকাগুলোকে শত্রু থেকে বাঁচতে ‘বাফার জোন’ বা সুরক্ষা অঞ্চল হিসেবে অভিহিত করে থাকে। নেতানিয়াহু এসব এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান বারবার প্রত্যাখ্যান করেছেন।

নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, ‘দক্ষিণ লেবাননে সেনা মোতায়েন অব্যাহত রাখতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তারা ‘কঠিন আলোচনা’ চালাচ্ছেন।’ তিনি আরও জানান, লেবাননের লিতানি নদীর দক্ষিণ অঞ্চলসহ নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় সেনা মোতায়েন রাখার অবস্থান থেকে ইসরাইল পিছু হটবে না।

অন্য এক ইসরাইলি কর্মকর্তা জানান, আলোচনার ফলাফল শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর নির্ভর করছে। ট্রাম্প যদি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তির শর্ত মানতে ইসরাইলকে বাধ্য করতে কঠোর পদক্ষেপ বা পরিণতির হুমকি দেন, তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে। এই আলোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এএম