লেবানন ও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় আগ্রাসন না থামিয়ে একদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের সমঝোতাকে ঝুঁকিতে ফেলছে ইসরাইল। শুধু তাই নয়; মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনা যেন কিছুতেই না থামে তার দীর্ঘমেয়াদী চক্রান্ত শুরু করেছে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক দল লিকুদ পার্টি।
এরইমধ্যে আগুনে ঘি ঢালার মতো মন্তব্য করে বসেছেন লিকুদ পার্টির নেতা ও ইসরাইলের প্রবাসীবিষয়ক মন্ত্রী আমিচাই চিকলি। হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আজ অথবা কাল, সিরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়াতেই হবে ইসরাইলকে। পরবর্তী নিশানা তুরস্ক, পাকিস্তান বা কাতার হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন নেতানিয়াহুর প্রশাসনের এই মন্ত্রী। মিডল ইস্ট আই-এর প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য।
আরও পড়ুন:
গণমাধ্যমকে দেয়া একাধিক সাক্ষাৎকারে সম্প্রতি ইসরাইলের কট্টরপন্থী মন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান, তুরস্ক ও কাতার মিলে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নতুন 'উগ্র সুন্নি অক্ষ' গড়ে তুলছে। যা ইসরাইল বিরোধী নতুন জোট বলেও মনে করছেন কট্টরপন্থী ইসরাইলি নেতা। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারক সইয়ের চেয়েও; পাকিস্তান, তুরস্ক ও কাতারের মধ্যে নতুন সম্পর্ক মাথাচাড়া দিয়ে ওঠাকে বেশি উদ্বেগের বলে জানান আমিচাই চিকলি।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানকে সমঝোতার মাধ্যমে আলোচনার টেবিলে নেয়ার পেছনে পাকিস্তান ও তুরস্ক বড় ধরনের ভূমিকা রাখা নিয়েও নাখোশ ইসরাইল। এদিকে নেতানিয়াহু ও তার দল লিকুদ পার্টির কট্টরপন্থী নীতিতে খোদ ইসরাইলিরাই অতিষ্ঠ। ইসরাইলের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল–১২–এর জরিপে ওঠে এসেছে এ তথ্য। জরিপে অংশ নেয়া ইসরাইলিদের ৫৯ শতাংশ মনে করছেন, নেতানিয়াহুর রাজনীতি ছেড়ে দেয়া উচিত। বিপরীতে পরবর্তী নির্বাচনে লিকুদ পার্টির নেতা নেতানিয়াহুর অংশ নেয়াকে সমর্থন করেছেন মাত্র ৩৩ শতাংশ ইসরাইলি। ৮ শতাংশ ইসরাইলি বিষয়টি নিয়ে কোনো মতামত জানাননি।

 Cadre Specialist Physician Forum forms a human chain-320x167.webp)



