খামেনির মরদেহটি বর্তমানে তেহরানের গ্র্যান্ড প্রেয়ার হলে রাখা হয়েছে। এই হলটি তার পূর্বসূরি আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির স্মরণে নির্মিত হয়েছিল। খামেনির কফিনের সঙ্গে একই হামলায় নিহত তার মেয়ে, জামাতা, নাতনি এবং ছেলে মুজতবা খামেনির স্ত্রীর কফিনও সেখানে রাখা হয়েছে। দাফন প্রক্রিয়া শুরু করার আগে মরদেহগুলো ইরান ও ইরাকের শিয়া ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র শহর কোম, নাজাফ ও কারবালায় নিয়ে যাওয়া হবে। সবশেষে আগামী বৃহস্পতিবার মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
জানাজা উপলক্ষে তেহরানজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় সেনাবাহিনী, পুলিশ ও বেসিজ মিলিশিয়া সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। ইরাকের প্রেসিডেন্ট আব্দুল লতিফ রশিদ, আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ান ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নকভি খামেনির মরদেহে শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে পৌঁছেছেন। এছাড়া রাশিয়া, চীন, লেবানন ও ইয়েমেনের প্রতিনিধিদলেরও এই কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার কথা রয়েছে।
ইসলামি রীতি অনুযায়ী মৃত্যুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাফনের নিয়ম থাকলেও যুদ্ধের ঝুঁকির কারণে খামেনির দাফন চার মাস পিছিয়ে দেয়া হয়েছিল। বর্তমানে একটি অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চলায় এই বিশাল জানাজার আয়োজন করছে তেহরান। বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে ইরান সরকার বহির্বিশ্বে নিজেদের শক্তি ও সংহতি প্রদর্শনের চেষ্টা করছে। তবে অভ্যন্তরীণভাবে অর্থনীতি ও রাজনৈতিক দমনপীড়ন নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ রয়ে গেছে।





