প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিনল্যান্ড উপসাগরের ভাইসোৎস্ক বন্দরে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়েছে। এই বন্দরটিতে একটি বড় তেল লোডিং টার্মিনাল অবস্থিত।
রুশ ও ইউক্রেনীয় টেলিগ্রাম চ্যানেলে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সেন্ট পিটার্সবার্গের নিজস্ব তেল বন্দরেও হামলার আঘাত লাগতে পারে। যদিও এ বিষয়ে শহর কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করেনি। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সেন্ট পিটার্সবার্গের আশপাশের লেনিনগ্রাদ প্রদেশে হামলার তথ্য নিশ্চিত করলেও শহরের ভেতরে হামলার কথা স্বীকার করেনি। মন্ত্রণালয়ের দাবি, সারা দেশে সব মিলিয়ে ৩৮৯টি ইউক্রেনীয় ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুনের শুরুতেও ইউক্রেন সেন্ট পিটার্সবার্গের তেল বন্দরের ট্যাংকে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। ইউক্রেন থেকে ১ হাজার কিলোমিটারের বেশি দূরে অবস্থিত ওই শহরে হামলার সময় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামের কার্যক্রম চলছিল।
অন্যদিকে, রাশিয়ার পাল্টা হামলায় ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সুমিতে অন্তত চারজন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সুমি আঞ্চলিক প্রশাসনের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় রুশ বিমান বাহিনী শহরের কেন্দ্রস্থল লক্ষ্য করে ছয়টি ‘গ্লাইড বোমা’ ব্যবহার করে হামলা চালায়। এই ধরনের বোমা রুশ যুদ্ধবিমান নিজেদের আকাশসীমার নিরাপদ অবস্থান থেকে ছুড়ে দিতে পারে, যা কয়েক ডজন কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে সুনির্দিষ্টভাবে আঘাত হানতে সক্ষম।
সুমিতে ক্ষতিগ্রস্ত একটি আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বেশ কয়েকজন মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। উদ্ধারকর্মীরা অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। রাশিয়ার তেল স্থাপনায় ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলা এবং তার পাল্টা জবাবে সাধারণ ইউক্রেনীয় শহরগুলোতে রুশ বোমাবর্ষণের ঘটনায় দুই দেশের মধ্যকার সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে।





