২০২৪ সালের ২৮ মে। ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় স্পেন। ফিলিস্তিনের গাজায় নির্যাতিত মানুষের জন্য সেটি ছিল অস্তিত্বের স্বীকৃতি। এর কদিন পরেই ইউরোজয়ী স্পেন তারকা লামিন ইয়ামালের হাতে শোভা পায় ফিলিস্তিনের পতাকা। স্পেন-ফিলিস্তিনের বন্ধুত্বের শুরু সেখান থেকেই।
মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রৌদ্রজ্জ্বল বিকেলে তাই যখন স্পেন উঁচিয়ে ধরেছে বিশ্বকাপ, তখন গাজায় মধ্যরাতেও ছিল উৎসবের আমেজ। স্পেনের পতাকা উড়িয়ে, নেচে গেয়ে তারা উদযাপন করেছেন বিশ্বকাপ জয়। ভাঙা বাড়ি কিংবা বিধ্বস্ত সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে রাত জেগে গাজায় মানুষ শামিল হয়েছেন স্পেনের বিশ্বজয়ের আনন্দে।
আরও পড়ুন:
বিশ্বকাপের শুরু থেকেই নিজেদের মিত্র দেশগুলোর প্রতি সমর্থন দিয়েছে গাজা। প্রতিবেশী মিশর থেকে বন্ধুপ্রতীম স্পেন, সবার জন্যই গাজার রাতগুলোতে নেমেছিল আলাদা উন্মাদনা। লিওনেল মেসি ব্যাপক জনপ্রিয় হলেও আর্জেন্টিনা ও ইজরায়েলের রাজনৈতিক মিত্রতার সুবাদে স্পেনের জন্যই নিজেদের আবেগ জমিয়ে রেখেছিল যুদ্ধবিধস্ত শহরটি। স্পেনও তাদের মন রেখেছে। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তরেসের একমাত্র গোল যুদ্ধের দেশে এনেছে একচিলতে আনন্দের উপলক্ষ।
বিশ্বকাপ শেষে স্পেন দল হাসিমুখে ফিরেছে বাড়ির পথে। গাজাকেও ফিরতে হবে নিজেদের রোজকার সংগ্রামে। মাঝে থেকে যাবে বিশ্বকাপের উন্মাদনা। এমন উৎসবের রাতগুলো নিশ্চিতভাবেই ভুলতে চাইবেন না গাজার মানুষেরা।





