মাজেদ আল-আনসারি বলেন, ‘মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আমরা যত দ্রুত সম্ভব হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার পক্ষে। যেকোনো ধরনের বিলম্ব আমাদের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও উল্লেখ করেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি যুদ্ধ-পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনা এবং সেখানে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর একটি ঐক্যবদ্ধ দাবি রয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই জলপথটি যেন কখনোই ‘রাজনৈতিক ব্ল্যাকমেইলের হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করা না হয়, যেমনটি এই সংকটের সময় ঘটেছে।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানকে নিয়ে হওয়া চুক্তি সম্পর্কে জানতে চাইলে আল-আনসারি জানান, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা জোরদার করে এমন যেকোনো আঞ্চলিক সহযোগিতাকে কাতার স্বাগত জানায়। সহযোগিতা ও প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা যেকোনো প্রতিরক্ষা কাঠামোকে দোহা ইতিবাচকভাবে দেখে বলেও জানান তিনি।
গাজার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মাজেদ আল-আনসারি বলেন, ‘হামাসের সাম্প্রতিক ঘোষণার মাধ্যমে অগ্রগতি হয়েছে এবং এখন পরিস্থিতির দায়িত্ব ইসরাইলি পক্ষের ওপর বর্তায়।’ ইসরাইলের ‘টালবাহানার চর্চার’ সমালোচনা করে তিনি এই চুক্তি বাস্তবায়নে চাপ দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।





