বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, এর কারণ হিসেবে আবু ধাবি আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধিকে দায়ী করে বলেছে এতে ‘আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা’ ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার বলেছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। ৪ মে ফুজাইরাহ বন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর থেকে এ ধরনের প্রথম ঘটনা এটি।
পরে এক বিবৃতিতে মন্ত্রণায়টি জানায়, তাদের মূল্যায়ন অনুযায়ী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ‘সামুদ্রিক জাহাজ চলাচল’কে লক্ষ্যস্থল করেছিল, কিন্তু উভয়ই লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে সাগরে পড়ে।
বিবৃতিতে মন্ত্রণায়টি বলেছে, তারা যে কোনো হুমকি মোকাবিলা ও রাষ্ট্রের নিরাপত্তাকে ‘অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা’ দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করতে পুরোপুরি প্রস্তুত আছে।
এরপর আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মুখপাত্র আফ্রা আল হামেলি এক্স এ পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করে এমন আঞ্চলিক উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে, পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য, বাণিজ্যিক বিনিময় ও আর্থিক লেনদনে স্থগিত থাকবে।’
হামেলি পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নিতে সংলাপ, সহযোগিতা ও অঞ্চলিক সংহতির প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিশ্রুতি পুনব্যক্ত করেছেন।
কিন্তু আজ (বুধবার, ১৯ আগস্ট) ভোররাতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিকে ‘ভিত্তিহীন’ বর্ণনা করে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ঘোষিত ৬০ দিনের সময়সীমা দু’পক্ষের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের কোনো চুক্তি ছাড়াই সোমবার শেষ হয়েছে। এতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত ফের উস্কে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।





