গাজার ধ্বংসস্তূপে এখনও চাপা ৮ হাজারের বেশি মরদেহে

ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ভবনের সারিঘেরা একটি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন ফিলিস্তিনিরা
বিদেশে এখন
0

গাজার বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপে এখনও ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ চাপা পড়ে আছে। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ৫০ মরদেহের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে, ২০২৪ সালে আইডিএফের হামলায় প্রাণ হারানো হিন্দ রাজাবের হত্যার ঘটনায় ইসরাইল ফৌজদারি তদন্তের নির্দেশ দিলেও, এতে ভরসা রাখতে পারছে না তার পরিবার।

গাজার রাস্তায় ফিলিস্তিনের পতাকায় মোড়ানো সারিবদ্ধ মরদেহের কফিন। এগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে স্বজনদের কান্না আর আকুতিতে ভারী চারপাশ।

সম্প্রতি গাজার বিভিন্ন ধ্বংসস্তূপ থেকে দুই বছর আগে ইসরাইলি হামলায় নিহত ৫০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তাদের শেষ বিদায় জানাতে সমবেত হন পরিবারের সদস্যসহ অনেকে।

নিহতের পরিবারের সদস্যদের একজন বলেন, ‘কষ্টের মধ্যেও স্বস্তির বিষয় হলো আমরা তাদের সন্ধান পেয়েছি। এতোদিন তাদের অপেক্ষায় ছিলাম, এখন অন্তত সমাধিস্থলে গিয়ে তাদের সম্মান জানাতে পারব।’

গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল জানান, গেল ৫০ দিনে প্রায় ১৮০টি মরদেহ উদ্ধার করেছেন তারা। এখনও ৮ হাজারেরও বেশি মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:

গাজা বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেন, ‘এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে ৮ হাজারের বেশি মানুষ চাপা পড়ে আছে। যাদেরকে উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল।’

এদিকে, ২০২৪ সালে ইসরাইলের হামলায় নিহত পাঁচ বছর বয়সী শিশু হিন্দ রাজাবকে হত্যার দায় স্বীকার করে ইসরাইল ফৌজদারি তদন্তের নির্দেশ দিলেও, এতে ভরসা রাখতে পারছে না তার পরিবার।

রাজাবের পরিবারের সদস্যদের একজন বলেন, ‘আমাদের ইসরাইলের বিচারব্যবস্থার ওপর কোনো ভরসা নেই। আমরা সমগ্র বিশ্বের কাছে রাজাব হত্যার বিচার চাচ্ছি।’

এদিকে, যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় হত্যাযজ্ঞ চলমান থাকায় নতুন করে উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। আর তহবিল ঘাটতি ও ইসরাইলি বিধিনিষেধের কারণে আসন্ন শীতে গাজার মানবিক সংকট আরও প্রকট হবে বলেও শঙ্কা সংস্থাটির।

এফএস