গেলো বুধবার (২৬ আগস্ট) ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা হয়েছে নেপাল ও তিব্বতের সীমান্তবর্তী হিমালয় অঞ্চলে। বিজ্ঞানীদের ধারণা, হিমবাহ ধসের পর চীন ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত লেন্দে নদীতে কাদা ও ধ্বংসস্তূপ তীব্র গতিতে ছুটলে শুরু হয় এই বিপর্যয়।
বন্যার তীব্র স্রোতে মুহূর্তের মধ্যেই কাদায় ডুবে যায় একের পর এক গ্রাম। বিধ্বস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রাস্তা ও সেতু। হতাহত হন অনেকেই। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভারত, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা। ইউনিসেফ বলছে, নেপালের বিধ্বস্ত এলাকায় কমপক্ষে ১৭ হাজার শিশুর মানবিক সহায়তা প্রয়োজন।
উদ্ভূত এ পরিস্থিতিতে, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীদের দল। সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে চীন, দক্ষিণ কোরিয়াসহ আন্তর্জাতিক মহল। উদ্ধার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন ৩০ হাজারেরও বেশি কর্মী।
আরও পড়ুন:
উদ্ধারকর্মীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপের নিচে মৃতদেহ থাকতে পারে। উপর থেকে বয়ে আসা বন্যার পানিতে মৃতদেহ চাপা পড়ে থাকতে পারে। এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না, তবে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নিশ্চিতভাবেই বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে এবং তাদের মধ্যে কেউ কেউ হয়তো ভেতরে চাপা পড়ে আছে। আমরা জানি না, আমি ব্যাখ্যা করতে পারবো না।’
এরই মধ্যে বন্যাকবলিত এলাকার ভটেকোশি নদীতে আবর্জনা জমে সৃষ্ট হ্রদের পানি ক্রমেই বাড়ছে এবং যেকোনো সময় তা উপচে পড়ে বন্যা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, তিব্বত ও নেপালের যে স্থানে হিমবাহ ও পাথরধস হয়েছে সেখানে আগামী ১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বন্যা হতে পারে বলছে চীন।





