পুতিন বলেন, জাতিসংঘের কাজ নিয়ে সবার মনে সন্তুষ্টি না থাকলেও সংস্থাটি বৈশ্বিক বিষয়ে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে যাবে। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘের সম্ভাবনা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো যায়নি। এর কার্যকারিতা বাড়াতে, নিরাপত্তা পরিষদসহ বিভিন্ন সংস্থায় বৈশ্বিক দক্ষিণ ও পূর্বের দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে এবং পরিবর্তিত বাস্তবতা ও বৈশ্বিক রাজনীতি-অর্থনীতির মৌলিক পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে প্রচেষ্টা চালানো জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘একটি নতুন ও সত্যিকারের ন্যায্য বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা গঠন এখন অপরিহার্য। এ প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘের একতাবদ্ধ ও গঠনমূলক ভূমিকা বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক।’ জাতিসংঘকে স্বার্থের সমন্বয়ের প্রধান ব্যবস্থা হিসেবে ধরে রাখতে হবে এবং জাতিসংঘ সনদকে আন্তর্জাতিক আইনের মূল উৎস হিসেবে রাখতে হবে বলে তিনি মত দেন।
পুতিন বলেন, ‘জাতিসংঘের পাশাপাশি এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকায় গড়ে ওঠা নতুন বহুপক্ষীয় আঞ্চলিক কাঠামোগুলো বহুমেরু বিশ্বের অংশে পরিণত হচ্ছে। এসসিও তেমনই একটি কাঠামো।’তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসসিও প্লাস বৈঠক দেশগুলোর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করবে এবং সহযোগিতা বাড়াবে।
এসসিওর ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই সম্মেলনে যোগ দিতে সোমবার বিশকেকে পৌঁছান পুতিন। এর আগে মঙ্গলবার এসসিও রাষ্ট্রপ্রধানদের পরিষদের বৈঠকেও তিনি বক্তব্য দেন।





