সরকার আয়োজিত এই কর্মসূচিটির নাম দেয়া হয়েছে ‘জানেফাদা-ই ইরান’ বা ‘ইরানের জন্য আত্মোৎসর্গকারী’। এই কর্মসূচির আওতায় সাধারণ নাগরিকদের মৌলিক সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে মার্কিন ও ইসরাইলি আগ্রাসন মোকাবিলার উপযোগী করে তোলা হচ্ছে। সেন পোশাক পরে হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবী তেহরানের রাজপথে মার্চ করেন। একই সঙ্গে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি) ও বাসিজি বাহিনীর সদস্যরা ক্ষেপণাস্ত্র, সামরিক ড্রোন ও বিমান বিধ্বংসী কামান প্রদর্শন করেন।
তেহরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরের প্রধান জেনারেল হাসান হাসানজাদেহ জানান, ইতোমধ্যেই অন্তত ৬ লাখ মানুষ এই সামরিক প্রশিক্ষণে অংশ নিতে নিবন্ধন করেছেন এবং শিগগিরই এ সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে। বাসিজি বাহিনীর প্রধান হোসেইন তায়েব জানান, শত্রুদের জন্য এই নতুন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবীরা ‘দুঃস্বপ্ন’ হয়ে উঠবে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা এই শোভাযাত্রা প্রত্যক্ষ করেন।
সমাবেশে অংশ নেয়া নাগরিকেরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী নানা স্লোগান দেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধের সংকল্প ব্যক্ত করেন।
এদিকে সমাবেশ চলাকালেই হরমুজ প্রণালিতে ‘ট্রেন্ড’ নামের টোগোর পতাকাবাহী একটি তেল ট্যাংকারে নতুন করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান। তাদের অভিযোগ, ট্যাংকারটি অবৈধভাবে প্রণালি অতিক্রম করার চেষ্টা করছিল। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সমুদ্র নিরাপত্তা সংস্থা ইউকেএমটিও নিশ্চিত করেছে যে, একটি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ট্যাংকারটিতে আগুন ধরে যায়, যা পরে নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানায়, মার্কিন পাহারায় ওমান উপকূল দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৪টি জাহাজ চলাচল করলেও যুদ্ধের আগের তুলনায় বর্তমানে নৌচলাচল ৯০ শতাংশ কমে গেছে।





