পুতিন দাবি করেন, মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি নতুন নির্বাচন না দেওয়ায় ইউক্রেন একটি একনায়কতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। পুতিনের ভাষ্য, ‘ইউক্রেনীয় নেতৃত্ব নিজের দেশে নির্বাচন দিতে তাড়া দেখাচ্ছে না, কিন্তু তারা আমাদের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে।’ তবে এই অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি।
ইউক্রেন এই অভিযোগ অস্বীকার করে রাশিয়ার নির্বাচনকে একটি ‘প্রহসনের নির্বাচন’ বলে আখ্যা দিয়েছে, যার ফলাফল আগেই নির্ধারিত। ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২২ সালের সামরিক অভিযানের পর জারি করা জরুরি অবস্থা বহাল থাকা অবস্থায় সেখানে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব নয়।
এদিকে রাশিয়া তার ভূমিতে আঘাত হানা প্রতিহত করতে ‘পারমাণবিক ট্রায়াড’ (স্থল, আকাশ ও সমুদ্রভিত্তিক পারমাণবিক ব্যবস্থা) শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণের তাগিদ দিয়েছে। ইউক্রেন সম্প্রতি দূরপাল্লার ড্রোনের মাধ্যমে রাশিয়ার ভেতরের বিভিন্ন জ্বালানি ও শিল্প স্থাপনায় আক্রমণ জোরদার করেছে। পুতিন বলেন, রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত জাপোরিজিয়া অঞ্চলে ইউক্রেনীয় হামলায় এক স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন, যা কিয়েভের শান্তি আলোচনার প্রস্তাবকে অসংলগ্ন ও অসৎ প্রমাণ করে।





