পুজার আগে ছাড়পত্র পাবেন কিনা তাও জানা নেই তাদের। এদিকে, সম্প্রতি সম্প্রতি ভারতের গুজরাট থেকে যে ইলিশ আমদানি করছিল বাংলাদেশ; তাতেও তাতেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। কলকাতা থেকে দীপক দেবনাথ জানাবেন বিস্তারিত।
এ ব্যাপারে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া ‘ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের’ সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ জানান, আমরা ইলিশের জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু তার আগেই ভারতের গুজরাট থেকে বাংলাদেশ যে ডিম ভর্তি ইলিশ আমদানি করছিল তা বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। স্বাভাবিকভাবেই আমাদের মনে হচ্ছে যে বাংলাদেশ থেকে পুজো মৌসুমে যে ইলিশ এখানে আসতো, এবার হয়তো সে দেশের সরকার তা পাঠানোর অনুমতি নাও দিতে পারে।
সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, ‘বার্মার ইলিশ আছেই আমাদের। তবে পদ্মার ইলিশের প্রতি সবার আলাদা টান থাকে।’
২০১২ সালে বাংলাদেশের সাবেক শেখ হাসিনা সরকার ভারতে ইলিশ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরে ২০১৯ সাল থেকে কেবলমাত্র সৌজন্যের খাতিরে দুর্গাপূজা মৌসুমে বাংলাদেশ সরকার ইলিশ পাঠিয়ে আসছে। গত সাত বছর ধরে এমনটাই হয়ে আসছে। এবারেও ইলিশ চেয়ে ফিস ইমপোর্টার্স এসোসিয়েশনের একটি প্রতিনিধি দল গত আগস্ট মাসে ঢাকায় যায়। বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য দপ্তরের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইলিশ আমদানি নিয়ে আলোচনায় বসেন। সেখানে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় এবারেও বাংলাদেশি ইলিশ পাঠানো হবে।
কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বুধবার বাংলাদেশ সরকার গুজরাট থেকে ইলিশ আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এমন এক আবহে সেদেশ থেকেও ইলিশ রপ্তানিতে অনুমতি নাও মিলতে পারে বলে আশঙ্কা।
এর কারণ হিসেবে ফিস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সৈয়দ আনোয়ার মাকসুদ জানান, হাতে আর সময় নেই। আগামী ৬ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশ সরকার সমুদ্রে ইলিশ মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। সেক্ষেত্রে এবারে হয়তো পুজোর সময় ইলিশের সুস্বাদু পদ থেকে বঞ্চিত থাকতে পারে বাঙালি।




