এসময় তারা বলেন, ন্যাশভিল এলাকার একটি হাসপাতালে পাইককে ইন্টুবেট করে ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে এবং অচেতন অবস্থায় রয়েছেন তিনি।
এছাড়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টার সময় প্রয়োগ করা পেন্টোবার্বিটালের গুরুতর প্রভাবে চিকিৎসা চলছে তার। এদিকে পাইকের আইনজীবীরা তার ত্রুটিপূর্ণ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্ত প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য আদালতে একটি জরুরি আবেদন দাখিল করেছেন।
এতে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টার সময় কারা কর্মকর্তারা পাইকের শরীরে অন্তত সাতটি সূঁচ ব্যবহার করে ইন্ট্রাভেনাস লাইন চালু করার চেষ্টা করেছিলেন।
এক পর্যায়ে পাইক নিজেই দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন যে তারা কোথায় চেষ্টা করতে পারে। এছাড়া আবেদনটির ওপর দ্রুত শুনানির জন্যও অনুরোধ করেছেন পাইকের আইনজীবিরা।





