আইআরজিসির ভাষ্য অনুসারে, প্রণালি ছাড়ার সময় ট্যাংকারটি নেভিগেশন ও গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বন্ধ রেখেছিল। এরপর জাহাজটি নৌমাইনে আঘাত করলে বিস্ফোরণ ঘটে এবং তাতে বড় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। উপকূল থেকে বেশ দূরে অবস্থান করলেও আগুনের শিখা দেখতে পেয়েছেন উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দারা।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়ম অমান্য করা তেলবাহী জাহাজগুলোর জন্য বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড অপেক্ষা করছে। এ ধরনের জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা শুধু হরমুজ প্রণালিতেই সীমিত থাকবে না, পুরো অঞ্চলে তাদের খুঁজে বের করে ‘শাস্তি’ দেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংস্থাটি।
ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি তাদের সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। চলমান যুদ্ধের মধ্যে প্রণালিটি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলও ব্যাপকভাবে কমেছে। জাহাজের চলাচল এক অঙ্কে নেমে এসেছে বলে জানানো হয়েছে।
তেহরান আরও বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের শর্ত পূরণ এবং আস্থা ফিরিয়ে আনার পদক্ষেপ না নিলে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ খুলে দেয়া হবে না। এর মধ্যে তুর্কমেনিস্তানের তুর্কমেনবাশিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, আলোচনা চললেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপের সময় এর আগেও দুবার হামলা হয়েছে। তবু ইরান আলোচনার টেবিল ছাড়বে না।





