সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের ডাকা এই ‘তেরঙ্গা পদযাত্রা’ প্রতিহত করার আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন পালিকা বাজারের একজন নিবন্ধিত ব্যবসায়ী অনিল কুমার গুপ্তা। উৎসবের মৌসুমে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হওয়া ও সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কায় তিনি এই রিট করেন। বৃহস্পতিবার শুনানিকালে দিল্লি পুলিশ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে আদালত মামলাটির পরবর্তী শুনানির জন্য ৩ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।
দলের শীর্ষ সদস্য সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ শীর্ষক এই দেশব্যাপী আন্দোলন ও সমাবেশের ডাক দিয়েছেন দীপকে। আগামী শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় সবাইকে জাতীয় পতাকা নিয়ে দিল্লির কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে জড়ো হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। দীপকে বলেন, জাতীয় পতাকা ওড়ানো কোনো অপরাধ নয়। এই বিক্ষোভের কারণে তাকেও গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
সম্প্রতি দিল্লির যন্তর মন্তরে ঢুকে বিক্ষোভ করার অভিযোগে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে তিহার জেলে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার এক দিন আগেই যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভের অনুমোদিত স্থানের তালিকা থেকে বাদ দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। নতুন অনুমোদিত স্থান হিসেবে রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং সিবিডি গ্রাউন্ডকে নির্ধারণ করা হয়েছে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনে (এসআইআর) অনিয়মের অভিযোগ তুলে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেস কুমারের পদত্যাগের দাবিতে কয়েক দিন ধরে এই বিক্ষোভ চলছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের এই কার্যক্রমের মাধ্যমে শাসক দল বিজেপিকে সুবিধা দেয়া হয়েছে।
চলমান এই আন্দোলন ও বিক্ষোভ প্রতিহত করতে গিয়ে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের (আইসা) জাতীয় সভাপতি নেহা বোরা, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী, কসংগ্রেস ও বিরোধী জোটের শীর্ষ নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, পিনরাই বিজয়ন, আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ ও সমাজকর্মী যোগেন্দ্র যাদবসহ বহু রাজনৈতিক নেতা, কর্মী ও সাংবাদিককে পুলিশ বিভিন্ন সময়ে আটক করে।
 founder Abhijeet Dipke-2-768x402.webp)




