সম্প্রতি বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইউক্রেনের নিরাপত্তা প্রতিশ্রুতি এবং একটি সামগ্রিক ইউরোপীয় নিরাপত্তা রূপরেখা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইউক্রেন, ন্যাটো ও ইউরোপীয় অংশীদারদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি ‘বড় চুক্তি’র সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বলেন, এর সঙ্গে পুরো ইউরোপ যুক্ত থাকতে পারে।
ভবিষ্যতের যেকোনো সম্ভাব্য আলোচনায় ইউরোপের ভূমিকা কী হতে পারে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, আলোচনায় ইউরোপের অংশগ্রহণ প্রয়োজন হবে ঠিকই, তবে নিজেদের ভূমিকা স্পষ্ট করতে তারা এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছে।
এক টেলিফোন ব্রিফিংয়ে পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ইউরোপীয়দের পক্ষ থেকে কোনো প্রস্তাব বা ধারণার কথা আমরা শুনিনি। আমাদের জানা মতে, এমন কিছুই নেই।’
পেসকভ আরও বলেন, ‘যেকোনোভাবেই হোক, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনার সময় একপর্যায়ে ইউরোপের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি আলোচনায় আসবে। কোনো না কোনো পর্যায়ে ইউরোপীয়দের ছাড়া এই প্রক্রিয়া চালানো অবশ্যই অসম্ভব হবে।’
তবে ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রস্তুতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ক্রেমলিনের এই মুখপাত্র বলেন, ‘এ কারণে ইউরোপীয়দের সঙ্গে আলোচনা প্রয়োজন হবে। কিন্তু আমরা দেখছি, তাদের পক্ষে কে কথা বলবে, তা–ও তারা এখনো ঠিক করতে পারেনি। ফলে তাদের দিক থেকে যা দেখা যাচ্ছে, তা হলো দীর্ঘায়িত সিদ্ধান্তহীনতা ও অনীহা।’





