এর আগে আজ (শনিবার, ৭ মার্চ) ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এক বিবৃতিতে ইরানের হামলার শিকার হওয়া প্রতিবেশী দেশগুলোর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ইরানের অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ প্রতিবেশী দেশগুলোর বিরুদ্ধে হামলা বা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ বন্ধের অনুমোদন দিয়েছে—যদি না সেসব দেশ থেকে ইরানের ওপর হামলা শুরু হয়।’
আরও পড়ুন:
ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহরের খবরে বলা হয়, সেনাবাহিনী ও আইআরজিসির কার্যক্রম সমন্বয়কারী খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পুনর্ব্যক্ত করছে যে তারা প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থ ও জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান দেখায় এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপ নেয়নি।’
তবে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘পূর্ববর্তী আক্রমণাত্মক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায়, অঞ্চলে স্থল, সমুদ্র ও মহাকাশে যুক্তরাষ্ট্র ও ‘জায়নিস্ট শাসনব্যবস্থার’ সব সামরিক ঘাঁটি ও স্বার্থ ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তিশালী হামলার প্রাইমারি টার্গেট হিসেবে বিবেচিত হবে।’





