ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যখন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিয়ে শান্তি আলোচনার পথে, ঠিক এমন সময়ে গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে অতর্কিতে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরাইল। এটিকে বলা হচ্ছে দেশটির ইতিহাসে ১৯৮২ সালের পর সবচেয়ে বড় হামলা।
সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকে নিঃশেষ করার লক্ষ্যে এ হামলা বলে দাবি করে তেল আবিব। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ইরানে হামলার পর থেকে ইসরাইলে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে হিজবুল্লাহও।
গত একমাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এ আক্রমণে হতাহতের পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত হন ১০ লাখেরও বেশি মানুষ। যাদের মধ্য এক চতুর্থাংশ শিশু বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা-ইউএনএইচসিআর। সংস্থাটি জানায় তেল আবিবের হামলায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন সেখানকার বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন:
উদ্ভূত এ পরিস্থিতিতে গতকাল (মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল) কূটনৈতিক আলোচনায় বসে লেবানন ও ইসরাইল। তিন দশকের বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো এ সংলাপে বসে দু’দেশের প্রতিনিধিরা।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, ‘হিজবুল্লাহর প্রভাব কমানোর এটি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া। যা সফল করতে সময় লাগবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, হিজবুল্লাহ ও ইরানের জন্য লেবাননের মানুষ আজ এ দুরবস্থার শিকার।’
বৈঠকের পর দুপক্ষেরই দাবি, সংলাপ ইতিবাচক। তবে ওই অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে কী ধরনের আলোচনা হয়েছে কিংবা কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো গেছে কি না সে বিষয়ে বিস্তারিত জানায় নি কোনো পক্ষই। তারা কোন কাঠামোতে সম্মত হয়েছে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায় নি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অধীনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে দু’দেশের এ আলোচনার মধ্যেও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে আবারো বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। হামলা হয়েছে সকালেও। এতে বেশ কয়েকজন হতাহত হয়।





