আজ (বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালে মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় প্রসিকিউশন ওই কল রেকর্ড আদালতে তুলে ধরে।
প্রসিকিউশনের দাবি, ফোনালাপে ওবায়দুল কাদেরকে বলতে শোনা যায়, ‘এদের মারো না কেন? বড় হতে দাও কেন?’
জবাবে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, পুলিশ তাদের শিক্ষার্থীদের মুখোমুখি হতে নিষেধ করেছে। এরপরও ওবায়দুল কাদের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার নির্দেশ দেন বলে প্রসিকিউশন আদালতকে জানায়।
এর আগে, গত মঙ্গলবার ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। এরপর মামলায় যুক্তিতর্ক শুরু হয়, যার ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবারও প্রসিকিউশন তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করে। মামলার পরবর্তী যুক্তিতর্ক আগামী রোববার অনুষ্ঠিত হবে।
আরও পড়ুন:
এই মামলার অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগেরসভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। প্রসিকিউশনের তথ্যমতে, তারা সবাই বর্তমানে পলাতক।
এদিকে, জুলাই হত্যাকাণ্ড-সংক্রান্ত আরেকটি মামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল, লেখক ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জাফর ইকবালসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর তামিম। তিনি বলেন, ‘তদন্ত শেষ হলে তাদের বিরুদ্ধেও শিগগিরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করা হবে।’





