ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশনার পর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনে প্রথমে স্লো ও পরে ধাপে ধাপে বন্ধ করা হয় ইন্টারনেট। ওবায়দুল কাদের, যুবলীগ, ছাত্রলীগের শীর্ষনেতাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে জুলাই হত্যা মামলার প্রমাণ হিসেবে এই কল রেকর্ড ট্রাইব্যুনালে দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।
আন্দোলন দমাতে মারণাস্ত্রের পাশাপাশি ব্যবহার শুরু হয় হেলিকপ্টার ও ড্রোনের। এসব তথ্য যাতে বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য ইন্টারনেট বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয় বলে দাবি প্রসিকিউশনের। ফরেনসিক ল্যাবে কল রেকর্ডটির সত্যতা যাচাইয়ের পর তথ্য-প্রমাণ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করেছে প্রসিকিউশন।





